Posts

ঠেস মেরে কথা বলা,

 ঠেস মেরে কথা বলা, কৌশলে দুটা কথা শুনিয়ে দেওয়া, আঘাত করে কথা বলা, অন্যকে ছোট দেখিয়ে নিজের পাণ্ডিত্য জাহির করা ত কিছু মানুষের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছে। এদের কাছ থেকে আঘাত পেয়ে প্রতিউত্তরে কিছু বলতে না পেরে আপনার হৃদয় যখন ক্ষত বিক্ষত হয়ে যায় ঠিক তখন চিন্তা করুন এটা আপনার মা বাবার দেয়া উত্তম শিক্ষার একটি যে তারা আপনাকে মানুষকে আঘাত করে কথা বলা শিখায় নাই। আর এ শিক্ষাটাই আপনার আখিরাতকে সহজ করে দিবে। '' ২ টা কথা আমি শুনাই দিসি'' ভেবে যারা শান্তির নিশ্বাস ছাড়ে পরকালেই এই নিশ্বাস ভারি হয়ে যাবে যতক্ষণ না কথা শুনে যাওয়া ব্যক্তি আপনাকে মাফ না করে।

শিক্ষণীয় ছোট গল্প

 শিক্ষণীয় ছোট গল্প  এক শিক্ষক শ্রেণী কক্ষে পড়াচ্ছিলেন। সব ছাত্ররাই শিক্ষকের পড়া খুবই মনযোগ দিয়ে শুনছিল। শিক্ষকের জিজ্ঞাসা করা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর প্রতিটি ছাত্রই উৎসুক ভাবে দিচ্ছিল। কিন্তু এই উৎসুক ছাত্রদের ভিড়েই একজন ছাত্র ছিল, যে কিছু না বলেই চুপচাপ শুধু মাথা নিচু করে বসে ছিল। প্রথম দিন শিক্ষক কিছু বললেন না। প্রথম দিন থেকেই শিক্ষক তার দিকে নজর দিতে শুরু করেন। এভাবে প্রায় ৫-৬ দিন হয়ে গেল, কিন্তু ছাত্রটির অবস্থার কোনোরূপ উন্নতি শিক্ষক দেখতে পেলেন না। একদিন ক্লাসের পর, শিক্ষক সেই ছাত্রটিকে স্টাফ রুমে ডাকলেন, এবং বললেন- তোমাকে, কয়েকদিন থেকেই খুব উদাস দেখছি। ক্লাসেও মন দাওনা, একজায়গায় মাথা নিচু করে চুপচাপ বসে থাকো। কি ব্যাপার বলতো? তুমি কি পড়া কিছু বুঝতে পারছো না? নাকি তোমার কোনো সমস্যা হয়েছে?ছাত্রটি কাঁপা কাঁপা গলায় বলল- স্যার আমার জীবনে কিছুদিন আগে এমন কিছু ঘটনা হয়েছে, যা আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। আর এর জন্যই আমি খুব সমস্যায় আছি। কোনো কিছুতেই মন বসছে না। কিছুতেই বুঝতে পারছিনা কি করব?শিক্ষক বললেন- আচ্ছা এক কাজ কর, তুমি আজ সন্ধ্যায় আমার বাড়িতে এসো কেমন।সন...

ছেলেকে নিয়ে বাবার উক্তি

 ছেলেকে নিয়ে বাবার উক্তি একটি ছেলেকে তার বাবা বড় করে কারণ তিনি তার সন্তানের ভিতরে তার ভবিষ্যত কি দেখতে পায় এজন্য। বলছি বাবা সবসময় চিন্তা করে ছেলেকে বড় করব এবং মানুষের মত মানুষ করে সেই সন্তান আমাকে লালন পালন করবে। তারা সবসময় চায় তার সন্তান বড় ধরনের চাকরি করবে এবং বাবা-মাকে সুন্দর ভাবে দেখবে। সন্তান জন্ম হওয়ার সাথে সাথে অনেক স্বপ্ন বুকে নিয়ে বাবা সন্তানকে লালন-পালন করে। পথে পথে বিভিন্ন ধরনের বিপদ আপদ আছে কিন্তু বাবা সেটি মনে করেন না তার সন্তানকে লালন-পালন করেন এবং বড় করার লক্ষ্যে কাজ করেন। শত কষ্ট হলেও বাবা বুঝতে দেন না সন্তানকে বাবার কষ্ট টুকু। তিনি চান তার সন্তান বড় হয়ে ভালোভাবে বাঁচতে শিখ হোক সকলের মাঝে সম্মানের সাথে। তাই আজকে আমরা এই প্রতিবেদনটিতে কিছু তথ্য তুলে ধরব যেগুলো বাবা ছেলেকে নিয়ে উক্তি করেছেন। > সন্তান হলো প্রভুর দেওয়া উপহারস্বরুপ। — বাইবেল। অশিক্ষিত সন্তান থাকার চেয়ে নিঃসন্তান হওয়া ভালো। — জন হে উড।  আমি চিরবিদায় নিচ্ছি না, আমার সন্তানের মধ্যে আমি বেঁচে থাকবো বহুদিন। — টমাস আটওয়ে।  আমাদের সন্তানের সুন্দর আগামীর জন্য, আমাদের বর্তমানকে ত্যাগ কর...

বাবাকে নিয়ে কবিতা

 বাবাকে নিয়ে কবিতা বাবা তোমার কথা খুব মনে পড়ে। ঐতো সে দিন চলে গেলে । আমাদের সাথে রাগ করে, বললে তুই ভাল থাকিস। আমি আর কোন দিন ফিরবো নারে । এমন কথা বলে চলে গিয়ে আর কখনো আসলে না ফিরে। বাবা তোমার কথা মনে হলে, চোখ দুটো আমার যায় জলে ভিজে। একটু যদি সময় পেয়ে আস্তে আবার ঘুরে ফিরে। যানি হয়তো আর আসবে না ফিরে, কিন্তুু মনতো আমার মানছে না কিছুতে।

বাবা

 বাবা বাবা কতইনা কষ্ট করো তুমি, রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে সন্তানের জন্য খাবার আনো, রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে। সন্তানের জন্য জীবন যুদ্ধ করে, ছায়ার মতো পাশে থাকো। ভালোবাসা দাও সারাজীবন ভরে, তোমার মতো করে কেউ করে না। জীবন আমার রঙ্গীন শুধু তোমার জন্য বাবা। তুমি আজকে আছো বলে পায়ের উপর পা তুলে, ঘুরে বেড়াই মন খুলে। সুখে দুঃখে সব সময়ে, থাকো তুমি আমার পাশে। তোমাকে দেখে আমার জীবন সুখে সুখে কেটে যাবে।

বাবাকে হারানোর কষ্ট

 বাবাকে হারানোর কষ্ট পৃথিবীতে যার বাবা নেই সে হয়তো বুঝে পৃথিবীটা তার জন্য কতটা কঠিন। বাবা না থাকলে বুঝা যায় পৃথিবীতে দু মুঠো খাবারের জন্য কতটা কষ্ট করতে হয়। বাবা নেই বলে পৃথিবীর সমস্ত সুখ গুলো থেকে বঞ্চিত। বাবা নেই বলে আজকে পৃথিবী তার আসল রূপ দেখিয়েছে।

বাবা আমি তোমায় ভালোবাসি

  পৃথিবীতে বাবা নামের মানুষটি যদি না থাকতো তাহলে হয়তো, পৃথিবীটা আরো কঠিন হয়ে পরতো। আজকে বাবা নামের এই বটগাছের ছায়া বলেছেন বলে‌ আমরা আরাম-আয়েশ করছি। বাবা নামের এই যুদ্ধা লোকটি তার সন্তানের জন্য সারাজীবন কষ্ট করে যায়। শুধু মাত্র তাদের সুখে রাখতে ও ভাল ভবিষ্যতের জন্য। ছোট থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত হাজারো বেথা যন্তনা সহ্য করে ছায়ার মতো তার পাশে থাকে। সন্তানের সমস্ত ইচ্ছা পূরণ করে তাকে খুশি রাখেন। হয়তো পৃথিবীর সব বাবা তার সন্তানের ইচ্ছা পূরণ করতে না পারলে ও হাজারো চেষ্টা করে যায়।

জুম্মা মোবারক

Image
 

এক গ্ৰামেএক, মহিলা বাস করত।

 এক গ্ৰামেএক, মহিলা বাস করত।তার নিজের ছেলে ও সতিনের ছেলে কে নিয়ে।🙂 সে মহিলা যখন কোথাও যেত 🚶তখন নিজের ছেলেকে হাটিয়ে নিয়ে যেত 🚶🚶আর সতিনের ছেলে কে কোলে তুলে নিত 🥰 সবসময় সতিনের ছেলে কে কোলে রাকত আর নিজের ছেলেকে হাটাত। এই জন্য গ্ৰামের, লোকেরা তার প্রসংসা করত 🥰🥰😍🤩 বলত যে মেয়েটি কত ভালো ♥️সতিনের ছেলে কে কত ভালবাসে,কত খেয়াল রাখে ওর💞💗😍🤩🥰 নিজের ছেলেকে কষ্ট দেয়💔 তবু সতিনের ছেলে কে কষ্ট দেয় না।🙅 একদিন একই ভাবে নিজের ছেলেকে হাটিয়ে আর সতীনের ছেলে কে কোলে নিয়ে এক বাড়ির পাস দিয়ে যাচ্ছিল। তখন সেই বাড়ি থেকে একটা মেয়ে বেড়িয়ে তাকে বলল 🤨দীদি নিজের ছেলের জন্য কি তোমার মায়া হয়না 🤔 সব সময় নিজের ছেলেকে হাঁটাও 😕আর সতিনের ছেলে কে কোলে কোলে রাখ🤔 তুমি কত ভালো সবাই তোমার কত প্রসংসা করে 💞♥️💗🥰🤩😍 তখন মহিলা টি বলল:আমি নিজের ছেলেকে এই জন্য হাটাই 🤨 যাতে তার পা শক্ত ও মজবুত হয়।😊 সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। এটা আমার ছেলের প্রতি ভালোবাসা 🤩😍 আর সতীনের ছেলে কে এই জন্য কোলে 💝রাখি এবং তাকে কখনোই হাঁটতে দেইনা 🙅 যাতে কখনও হাঁটতে না শেখে,।কোলে থাকতে থাকতে তার পা পংগু অচ...

পুরনো গল্প -

 পুরনো গল্প - একদা গ্রামের কুপে কৃষকের গাধাটি পড়ে গেল। গাধাটি কুপের ভেতর থেকে আর্তচিৎকার শুরু করলো। কৃষক নানা উপায়ে গাধাটিকে উদ্ধার করতে চেষ্টা করলো। কিন্তু কিছুতেই গাধাটিকে ওই গভীর কূপ থেকে তুলে আনতে পারলনা। অবশেষে কৃষক ভাবলো ওই গাধাটি একেবারেই অকেজো ও আধমরা। এছাড়া কুপটিও ছিল শুকনো ও অকেজো। সময় ও সুযোগের অভাবে কুপটি ভরাট করা হয়ে ওঠছিলনা।কৃষক তাই গাধাটিকে মাটিচাপা দিয়ে কুপটিকে ভরাট করার কথা ভাবলো। যেই ভাবা সেই কাজ, কৃষক তার প্রতিবেশীদেরকে কাছে ডাকলো। প্রতিবেশীরাও গাধাটির ঘন্টার পর ঘন্টা আর্ত চিৎকারের ধ্বনিতে চরম বিরক্ত ছিল। কৃষক প্রতিবেশীদেরকে তার পরিকল্পনার কথা বললো, প্রতিবেশীরা তাতে সায় দিল। তারা কোদাল নিয়ে এসে চাকা মাটি তুলে হাতে হাতে করে কুপে ফেলতে লাগলো। গাধাটি আরো ঘাবড়ে গিয়ে আরো জোরে  চিৎকার করতে লাগলো। কিছুক্ষণ পর সে চুপ হয়ে গেল। কৃষক ও তার প্রতিবেশীরা ভাবলো গাধাটি মরে গেছে, কিন্তু না আরো কিছুক্ষণ পরেই তাদের চোখ বড় হয়ে গেল। একি! গাধাটি কি করলো এটা! গাধাটি তাদের ছুঁড়ে ফেলা প্রতিটি মাটির ঢেলার আঘাতকে ভেদ করে চাকাগুলোর উপরে উঠতে উঠতে একেবারে কুয়ার মুখে উঠে এল। একসময় সে কুয়...

অনুপ্রেরণার গল্প শিক্ষণীয় গল্প:

 অনুপ্রেরণার গল্প শিক্ষণীয় গল্প: এক ব্যক্তি তার বাড়ির পেছনের প্রশস্ত গোলাঘরে হাতঘড়ি হারিয়ে ফেললো। ওটা কোনো সাধারণ ঘড়ি নয়, মৃতা স্ত্রীর রেখে যাওয়া স্মৃতি। অনেক বছর আগে কোনো এক বিবাহ বার্ষিকীতে স্ত্রী উপহার দিয়েছিল। সারাদিন ভর অনেক খোজাখুজির পর ক্লান্ত হয়ে লোকটি হাল ছেড়ে দিল। গোলাঘরের পাশেই কিছু ছোট বাচ্চা খেলা করছিল, লোকটি ওদের ডেকে ঘড়িটি খুজে দিতে সাহায্য করতে বলল। যে পাবে তাকে পুরষ্কার দেবার ঘোষণাও দিল। পুরষ্কারের কথা শুনে ছোট বাচ্চা গুলো দল বেধে গোলাঘরের মধ্যে ঢুকে খোজাখুজি আরম্ভ করে দিল, কিন্তু অনেকক্ষণ খোজাখুজির পরও বাচ্চাগুলো ব্যর্থ হল। লোকটি হাল ছেড়ে দিতে যাবে এমন সময় ছোট একটি ছেলে এসে আরেকবার খোজার অনুমতি চাইলো। ছেলেটির আন্তরিকতা দেখে লোকটি অনুমতি দিল। কিছুক্ষণ পর ছেলেটি হাতে ঘড়ি নিয়ে গোলাঘর থেকে বেরিয়ে এলো। সাধের ঘড়িটি হাতে পেয়ে লোকটি আনন্দে কেঁদে ফেললো। কিছুক্ষণ পর নিজেকে সামলে লোকটি ছোট বাচ্চাটিকে জিজ্ঞাসা করলো সবাই যেখানে ব্যর্থ হয়েছে সেখানে ও কিভাবে এত অল্প সময়ের মধ্যে সফল হলো! ছেলেটি উত্তর দিল, ‘আমি তেমন কিছুই করিনি। গোলাঘরে ঢুকে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে...

"I’m stupid"

 ক্লাসের এক ছাত্র দু্ষ্টুমি করে কাগজে "I’m stupid" লিখে একজন ছাত্রের পেছন লাগিয়ে দিয়ে অন্যান্যকে নিষেধ করলো-আর কাউকে না বলতে। সবাই ছেলেটিকে নিয়ে হাসাহাসি করছে। কিছুক্ষণের মাঝে অংক স্যার ক্লাসে এসে নির্দেশ দিলেন- জটিল একটা অংকের সমাধান করতে। একটা ছেলে হাত ওঠালো। স্যার বললেন- বোর্ডে এসো। ছেলেটি যখন বোর্ডের দিকে হেঁটে যাচ্ছে। তখন হাসাহাসি আরো বাড়ে। কিন্তু সে বুঝতে পারছেনা। এতো হাসির কারণ কি। সে বোর্ডে গিয়ে অংকটির সমাধান করলো। স্যার এবার তার পেছন থেকে স্টুপিড লেখা লেভেলটি তোলে নিয়ে বললেন- তুমি হয়তো জানোনা- তোমার কোনো বন্ধু তোমার শার্টের পেছনে স্টুপিড লিখে দিয়েছে। আর, এ জন্যই তোমাকে নিয়ে সবাই এতো হাসিতামাশা করছে। যাও, তুমি আসনে গিয়ে বসো। আমি তোমাদের কাউকে শাস্তি দিবোনা। বরং তোমাদের সাথে দুটি জিনিস শেয়ার করবো। এক) বইয়ের কভার দেখে যেমন বই বুঝা যায়না। ঠিক তেমনি লেভেল দেখেই আসল জিনিস চেনা যায়না। জীবনের নানা ক্ষেত্রে একে অন্যকে দমিয়ে রাখার জন্য নানা রকমের লেভেল সেঁটে দেয়। ওরা তোমার পেছনে স্টুপিড লিখে রেখেছে -সেটা যদি তুমি বুঝতে পারতে আর বুঝে তার গুরুত্ব দিয়ে-হীনমন্যতায় ভুগতে- তবে তুমি...

আমি তাকে বয়স জিজ্ঞেস করলাম!

 আমি তাকে বয়স জিজ্ঞেস করলাম! সে বলল ৯৫ এবং আরও বল্লেন তার মা ১০৫ বেঁচে ছিলেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনার সুস্বাস্থ্যের রহস্য কী? তিনি বললেন, অসুস্থ হবেন না! আমি বললাম, এটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই তিনি হেসে বললেন,আছে,আমি বললাম, আমাকে গোপন কথা বলুন, আমি তা অনুসরণ করব।  তিনি বললেন, বিসমিল্লাহ না বলে কিছু খাবেন না, এমনকি এক ফোঁটা পানি বা সামান্য টুকরোও, আমি চুপ ছিলাম।  তারপর তিনি বললেন, আল্লাহ তায়ালা কোন কারণ ছাড়াই কিছু সৃষ্টি করেন নি, তার সকল সৃষ্টির মাহাত্ম্য আছে।  বিসমিল্লাহ বলে খাওয়া শুরু করলে আল্লাহ'তালা খাওয়া থেকে সমস্ত ক্ষতিকর জিনিস  তুলে নেন। খাওয়ার আগে সব সময় বিসমিল্লাহ বলুন এবং আপনার সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন। যখন আপনি খাওয়া শেষ করবেন, আপনার হাত তুলুন এবং আল্লাহ তায়ালাকে ধন্যবাদ জানান।  আপনি কখনই অসুস্থ হবেন না। তার কথা বলার পর আমার চোখ অশ্রুতে ভরে গিয়েছিল। আমি যেতে চাচ্ছিলাম কিন্তু সে আমার হাত ধরে বলল: শোন, খাবারের শেষ কথা। আমি আবার বসলাম।তিনি বলেছিলেন যে, আপনি যদি কারো সাথে এক সাথে খান, আপনার মুখে কখনই খাবার আগে তুলবেন না, যতই ক্ষুধা ল...

মানুষ আমি একটাই

 মানুষ আমি একটাই, তবে ব্যাক্তি ভাগে আমার চরিত্র গুলো আলাদা, আলাদা! কারো কাছে আমি এক গম্ভীর মানুষ, কারো কাছে ব'দমেজাজি, কারো কাছে খুবই ফানি, কারো কাছে হয়তো খুব রোমান্টিক, অনেকর কাছে খুব ভদ্র এবং ভালো মানুষ! আবার কারো কাছে পৃথিবীর সবথেকে খারাপ মানুষটিও আমি'ই! তবে মানুষ কিন্তু আমি একটাই!😊🥀

"বেস্টফ্রেন্ড"

 "বেস্টফ্রেন্ড" শব্দটা যদি একটা বাক্স হয় তাহলে এই বাক্স এর ভিতর আছে... নিঃস্বার্থ ভালোবাসা,ঝগড়া,খুনসুটি, সুখের ভাগাভাগি, কষ্টের সময় কাঁধে হাত রেখে বলা "ভয়ের কিছু নেই আমি পাশে অাছি তোর" "অারে ধ্যাত... এটা কোনো কষ্টের বিষয় হইলো" অর্থাৎ বড় থেকে বড় কষ্টের বিষয়কে, মুখের কথায় হালকা করে ফেলা, সব সময় একে অপরের পাশে থাকা, হাজারো দুঃখ কষ্টে একে অপরকে ছেড়ে না যাওয়া........ নিজের প্রত্যেকটা বিষয়ে মন খোলে শেয়ার করা ইত্যাদি ইত্যাদি