Posts

Showing posts from July, 2023

পুরনো গল্প -

 পুরনো গল্প - একদা গ্রামের কুপে কৃষকের গাধাটি পড়ে গেল। গাধাটি কুপের ভেতর থেকে আর্তচিৎকার শুরু করলো। কৃষক নানা উপায়ে গাধাটিকে উদ্ধার করতে চেষ্টা করলো। কিন্তু কিছুতেই গাধাটিকে ওই গভীর কূপ থেকে তুলে আনতে পারলনা। অবশেষে কৃষক ভাবলো ওই গাধাটি একেবারেই অকেজো ও আধমরা। এছাড়া কুপটিও ছিল শুকনো ও অকেজো। সময় ও সুযোগের অভাবে কুপটি ভরাট করা হয়ে ওঠছিলনা।কৃষক তাই গাধাটিকে মাটিচাপা দিয়ে কুপটিকে ভরাট করার কথা ভাবলো। যেই ভাবা সেই কাজ, কৃষক তার প্রতিবেশীদেরকে কাছে ডাকলো। প্রতিবেশীরাও গাধাটির ঘন্টার পর ঘন্টা আর্ত চিৎকারের ধ্বনিতে চরম বিরক্ত ছিল। কৃষক প্রতিবেশীদেরকে তার পরিকল্পনার কথা বললো, প্রতিবেশীরা তাতে সায় দিল। তারা কোদাল নিয়ে এসে চাকা মাটি তুলে হাতে হাতে করে কুপে ফেলতে লাগলো। গাধাটি আরো ঘাবড়ে গিয়ে আরো জোরে  চিৎকার করতে লাগলো। কিছুক্ষণ পর সে চুপ হয়ে গেল। কৃষক ও তার প্রতিবেশীরা ভাবলো গাধাটি মরে গেছে, কিন্তু না আরো কিছুক্ষণ পরেই তাদের চোখ বড় হয়ে গেল। একি! গাধাটি কি করলো এটা! গাধাটি তাদের ছুঁড়ে ফেলা প্রতিটি মাটির ঢেলার আঘাতকে ভেদ করে চাকাগুলোর উপরে উঠতে উঠতে একেবারে কুয়ার মুখে উঠে এল। একসময় সে কুয়...

অনুপ্রেরণার গল্প শিক্ষণীয় গল্প:

 অনুপ্রেরণার গল্প শিক্ষণীয় গল্প: এক ব্যক্তি তার বাড়ির পেছনের প্রশস্ত গোলাঘরে হাতঘড়ি হারিয়ে ফেললো। ওটা কোনো সাধারণ ঘড়ি নয়, মৃতা স্ত্রীর রেখে যাওয়া স্মৃতি। অনেক বছর আগে কোনো এক বিবাহ বার্ষিকীতে স্ত্রী উপহার দিয়েছিল। সারাদিন ভর অনেক খোজাখুজির পর ক্লান্ত হয়ে লোকটি হাল ছেড়ে দিল। গোলাঘরের পাশেই কিছু ছোট বাচ্চা খেলা করছিল, লোকটি ওদের ডেকে ঘড়িটি খুজে দিতে সাহায্য করতে বলল। যে পাবে তাকে পুরষ্কার দেবার ঘোষণাও দিল। পুরষ্কারের কথা শুনে ছোট বাচ্চা গুলো দল বেধে গোলাঘরের মধ্যে ঢুকে খোজাখুজি আরম্ভ করে দিল, কিন্তু অনেকক্ষণ খোজাখুজির পরও বাচ্চাগুলো ব্যর্থ হল। লোকটি হাল ছেড়ে দিতে যাবে এমন সময় ছোট একটি ছেলে এসে আরেকবার খোজার অনুমতি চাইলো। ছেলেটির আন্তরিকতা দেখে লোকটি অনুমতি দিল। কিছুক্ষণ পর ছেলেটি হাতে ঘড়ি নিয়ে গোলাঘর থেকে বেরিয়ে এলো। সাধের ঘড়িটি হাতে পেয়ে লোকটি আনন্দে কেঁদে ফেললো। কিছুক্ষণ পর নিজেকে সামলে লোকটি ছোট বাচ্চাটিকে জিজ্ঞাসা করলো সবাই যেখানে ব্যর্থ হয়েছে সেখানে ও কিভাবে এত অল্প সময়ের মধ্যে সফল হলো! ছেলেটি উত্তর দিল, ‘আমি তেমন কিছুই করিনি। গোলাঘরে ঢুকে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে...

"I’m stupid"

 ক্লাসের এক ছাত্র দু্ষ্টুমি করে কাগজে "I’m stupid" লিখে একজন ছাত্রের পেছন লাগিয়ে দিয়ে অন্যান্যকে নিষেধ করলো-আর কাউকে না বলতে। সবাই ছেলেটিকে নিয়ে হাসাহাসি করছে। কিছুক্ষণের মাঝে অংক স্যার ক্লাসে এসে নির্দেশ দিলেন- জটিল একটা অংকের সমাধান করতে। একটা ছেলে হাত ওঠালো। স্যার বললেন- বোর্ডে এসো। ছেলেটি যখন বোর্ডের দিকে হেঁটে যাচ্ছে। তখন হাসাহাসি আরো বাড়ে। কিন্তু সে বুঝতে পারছেনা। এতো হাসির কারণ কি। সে বোর্ডে গিয়ে অংকটির সমাধান করলো। স্যার এবার তার পেছন থেকে স্টুপিড লেখা লেভেলটি তোলে নিয়ে বললেন- তুমি হয়তো জানোনা- তোমার কোনো বন্ধু তোমার শার্টের পেছনে স্টুপিড লিখে দিয়েছে। আর, এ জন্যই তোমাকে নিয়ে সবাই এতো হাসিতামাশা করছে। যাও, তুমি আসনে গিয়ে বসো। আমি তোমাদের কাউকে শাস্তি দিবোনা। বরং তোমাদের সাথে দুটি জিনিস শেয়ার করবো। এক) বইয়ের কভার দেখে যেমন বই বুঝা যায়না। ঠিক তেমনি লেভেল দেখেই আসল জিনিস চেনা যায়না। জীবনের নানা ক্ষেত্রে একে অন্যকে দমিয়ে রাখার জন্য নানা রকমের লেভেল সেঁটে দেয়। ওরা তোমার পেছনে স্টুপিড লিখে রেখেছে -সেটা যদি তুমি বুঝতে পারতে আর বুঝে তার গুরুত্ব দিয়ে-হীনমন্যতায় ভুগতে- তবে তুমি...

আমি তাকে বয়স জিজ্ঞেস করলাম!

 আমি তাকে বয়স জিজ্ঞেস করলাম! সে বলল ৯৫ এবং আরও বল্লেন তার মা ১০৫ বেঁচে ছিলেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনার সুস্বাস্থ্যের রহস্য কী? তিনি বললেন, অসুস্থ হবেন না! আমি বললাম, এটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই তিনি হেসে বললেন,আছে,আমি বললাম, আমাকে গোপন কথা বলুন, আমি তা অনুসরণ করব।  তিনি বললেন, বিসমিল্লাহ না বলে কিছু খাবেন না, এমনকি এক ফোঁটা পানি বা সামান্য টুকরোও, আমি চুপ ছিলাম।  তারপর তিনি বললেন, আল্লাহ তায়ালা কোন কারণ ছাড়াই কিছু সৃষ্টি করেন নি, তার সকল সৃষ্টির মাহাত্ম্য আছে।  বিসমিল্লাহ বলে খাওয়া শুরু করলে আল্লাহ'তালা খাওয়া থেকে সমস্ত ক্ষতিকর জিনিস  তুলে নেন। খাওয়ার আগে সব সময় বিসমিল্লাহ বলুন এবং আপনার সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন। যখন আপনি খাওয়া শেষ করবেন, আপনার হাত তুলুন এবং আল্লাহ তায়ালাকে ধন্যবাদ জানান।  আপনি কখনই অসুস্থ হবেন না। তার কথা বলার পর আমার চোখ অশ্রুতে ভরে গিয়েছিল। আমি যেতে চাচ্ছিলাম কিন্তু সে আমার হাত ধরে বলল: শোন, খাবারের শেষ কথা। আমি আবার বসলাম।তিনি বলেছিলেন যে, আপনি যদি কারো সাথে এক সাথে খান, আপনার মুখে কখনই খাবার আগে তুলবেন না, যতই ক্ষুধা ল...

মানুষ আমি একটাই

 মানুষ আমি একটাই, তবে ব্যাক্তি ভাগে আমার চরিত্র গুলো আলাদা, আলাদা! কারো কাছে আমি এক গম্ভীর মানুষ, কারো কাছে ব'দমেজাজি, কারো কাছে খুবই ফানি, কারো কাছে হয়তো খুব রোমান্টিক, অনেকর কাছে খুব ভদ্র এবং ভালো মানুষ! আবার কারো কাছে পৃথিবীর সবথেকে খারাপ মানুষটিও আমি'ই! তবে মানুষ কিন্তু আমি একটাই!😊🥀

"বেস্টফ্রেন্ড"

 "বেস্টফ্রেন্ড" শব্দটা যদি একটা বাক্স হয় তাহলে এই বাক্স এর ভিতর আছে... নিঃস্বার্থ ভালোবাসা,ঝগড়া,খুনসুটি, সুখের ভাগাভাগি, কষ্টের সময় কাঁধে হাত রেখে বলা "ভয়ের কিছু নেই আমি পাশে অাছি তোর" "অারে ধ্যাত... এটা কোনো কষ্টের বিষয় হইলো" অর্থাৎ বড় থেকে বড় কষ্টের বিষয়কে, মুখের কথায় হালকা করে ফেলা, সব সময় একে অপরের পাশে থাকা, হাজারো দুঃখ কষ্টে একে অপরকে ছেড়ে না যাওয়া........ নিজের প্রত্যেকটা বিষয়ে মন খোলে শেয়ার করা ইত্যাদি ইত্যাদি

#হয়ত, অপেক্ষার প্রহরটাও একদিন শেষ হবে,

 #হয়ত, অপেক্ষার প্রহরটাও একদিন শেষ হবে,ক্লান্ত হৃদয়টা প্রশান্তি পাবে। দুঃখের ভারে যে রাত দীর্ঘ হয়েছে,হয়ত সে রাতও একদিন অতিবাহিত হবে। হয়ত সোনালি সূর্য ঝলমল করবে নীল আকাশের বুক জুড়ে। তবে সেদিন ব্যথিত হৃদয় নিয়ে হয়ত আমি আর থাকবো না,তোমাদের অভিযোগ বক্সের চিঠিগুলো সেদিন আমি আর পড়তে পারবো না। উত্তরটা না পেয়ে,পূর্বের মতই আমাকে আবার দোষারুপ করতে ভুলে যেওনা। #দোষের বোঝাগুলো বইতে এসেছিলাম পৃথিবীতে,দ্বায়িত্ব শেষ না করেই হয়ত পালাবো আপন নীড়ে। প্রতিদিনের মত হাজারও অভিযোগ,অভিযোগ বক্সটাতে রেখে দিও। সময় বিলম্ব করার কারণে আমাকে যত্ত পারো কথা শুনিও,অপমান সেদিন আর হয়ত গায়ে লাগবে না,যেমন টা আজও লাগেনা। #হিমালয়ের বরফ মনে করেছিলাম নিজেকে,ভেবেছিলাম শত কষ্ঠের পরও হয়ত গলবো না,কিন্তু কে জানতো! গ্রীষ্মের দাবদাহনে সে বরফ গলে যাবে। বন্যার পানিতে যেভাবে ভেসে যায় বিস্তৃর্ণ ফসলের মাঠ,অভিযোগের জোয়ারে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছি,আর খুঁজে পায়না। #পৃথিবীতে যে যার মত করে বোঝে,তায় ভুল বোঝার পরিমান টা এতো বেশি। যে নিজের মত করে ভুল বোঝে তাকে আপনি শুধরে দিবেন কি করে??? """""কোন এক ঘুটঘুটে অন্ধকারে,নিজেকে আড়াল ...

#অভিমানগুলো জমা হয়েছে হৃদয়ের ছোট্ট কুঠিরে

 #অভিমানগুলো জমা হয়েছে হৃদয়ের ছোট্ট কুঠিরে,ঠিক যেন নীল আকাশে কালো মেঘ। চোখের কোনে জ্বলের কণার আনাগোনা শুরু হয়েছে,হয়ত এখনি নামবে শ্রাবণের বৃষ্টি। এই বৃষ্টিভেজা দিনে,তোমাকে দেওয়ার মত কিছুই নেই আমার😭 স্বার্থপরের মত দূর থেকে বহুদূরে নিজেকে আড়াল করেছি,ফিরে যাবার আকুতি আর নাই বা করলাম। দু’ফোঁটা চোখের জ্বল বৃষ্টি ভেঁজা দিনে তোমার বরাবর উড়োচিঠিতে করে পাঠিয়ে দিলাম,ডাকপিয়ন হিসাবে ব্যথিত হৃদয়ের নীবর আর্তনাদ কে পাঠালাম। চোখের জ্বলে এক নিষ্ঠুরতম ভালোবাসার বিবরণ লিখে দিলাম,পড়ে দেখো। কিভাবে চলছে জীবন,আজ বড্ড জানতে ইচ্ছে করে। অতীতের স্মৃতিগুলোকে দেখতে পায়,ভাঙা আয়নাতে,কত শত কথা তুমি বলতে। যেই আমাকে ছাড়া তোমার চলেই না,কিভাবে থাকবে বলে কাঁদতে অহঃর্নিশি,সেই তুমি কিভাবে অতিবাহিত করছো দিন??? প্রশ্ন রয়ে যায় বারংবার,উত্তর আসেনা,প্রতিপক্ষ আজও নীরব। আমার প্রশ্নগুলো ডাকবাক্সে পড়ে থাকা বেনামা চিঠির মত,নিজ গন্তব্যে যার আর কখনও ফেরা হয়নি। নিশি রাতের অপেক্ষায় আর থাকিনা,রাত জেগে কথা বলার শখও মিটে গেছে। সেদিন সময়গুলো স্বপ্নের মত কাটলেও আজ তাহা দুঃস্বপ্নের কণ্টকাকীর্ণ জালে আবদ্ধ। খাঁচায় আবদ্ধ পাখির মত ছটফট করে আমা...

বন্ধু মানে কি

বন্ধু মানে শুধু মজা করা বা আড্ডা করা নয় বন্ধু মানে একে অপরের খুশিতে খুশি হওয়া, একে অপরের দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, আবার একে অপরের স্বপ্ন পূরণের রাস্তায় সঙ্গী হয়ে ওঠা। বন্ধুদের স্থান জীবনে পরিবারের ঠিক পরেই আসে। আমাদের জীবনে বন্ধুদের গুরুত্ব ঠিক কতটা তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়। আজকে আমরা আপনাদের জন্য বন্ধু নিয়ে কিছু কথা ও বন্ধুত্বের উক্তি নিয়ে এসেছি।

এক অসাধরন মজার গল্প

 এক শহরে বাস করতো এক স্বর্ণকার। লোকটা ছিল বেশ ধার্মিক ও সৎ। প্রতিদিন সূর্য ওঠার আগেই সে তার কাজে চলে যেত। তার দোকান ছিল শাসকের প্রাসাদের সামনে। দোকান খোলার আগে প্রতিদিন ওই স্বর্ণকার আকাশের দিকে দু’হাত তুলে মোনাজাত করে বলতো: ‘হে মহাজ্ঞানী, রিযিকদাতা! হে ক্ষমাকারী! তুমি তো অসীম অধিকারী! সকল কিছুর ওপরে তুমি সর্বশক্তিমান। সমুদ্রের তলায়ও যদি কোনো কিছু পড়ে তুমি তাকে শুষ্ক অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়ার শক্তি রাখো!’ এই দোয়া করে দোকানের দরোজা খুলতো সে। বাদশার প্রাসাদ যেহেতু কাছেই ছিল সে কারণে স্বর্ণকারের দোয়ার শব্দে বাদশার মজার ঘুম ভেঙে যেত প্রতিদিন, কেননা প্রাসাদের জানালা খোলাই থাকতো। একদিন বাদশার ঘুম ভাঙতেই বাদশা রেগেমেগে চীৎকার করে বললো: কে এই লোক প্রতিদিন সকালবেলা আমার আরামের ঘুম হারাম করে দেয় আর ভেঙে দেয় চমৎকার স্বপ্ন? বাদশা তার এক চাকরকে ডেকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলো যে এটা এক স্বর্ণকারের কাজ। আর তার দোকান হচ্ছে প্রাসাদের সামনে। এ কারণে ওই স্বর্ণকারকে ‘উচিত’ শিক্ষা দেওয়ার চিন্তা করলো বাদশা। উজিরকে ডেকে একটা হীরার আংটি নিলো এবং প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে দুজনেই স্বর্ণকারের দোকানের দিকে পা বাড়ালো। স্বর্...

নিয়ত কতটা গুরুত্বপূর্ণ

 নিয়ত কতটা গুরুত্বপূর্ণ?  - ভিক্ষুককে দেওয়ার জন্য পকেটে হাত দিলেন, কিন্তু জানতেন না পকেট খালি, দিতে পারলেন না। নেকি কিন্তু পেয়ে গেলেন। - কাউকে রাস্তাপারাপার করতে এগিয়ে গেলেন সাহায্যের জন্য। এরই মধ্যে অন্য কেউ এসে সাহায্য করে ফেলল। আপনি কিন্তু কদম এগিয়ে নেওয়ার জন্য নেকী পেয়ে গেলেন।  - ভবিষ্যতে হজ্জ করবেন, মাদ্রাসা, মসজিদ করবেন, এরকম পাক্কা নিয়ত করছেন। সেজন্য পরিশ্রমও করে চলেছেন। কিন্তু তার আগেই একদিন পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হল আপনাকে। নেকী কিন্তু পেয়ে গেছেন।  - বাসে কোথাও যাচ্ছেন। সিটে বসে আছেন, সামনে বয়োবৃদ্ধ বা মহিলা কেউ দাড়িয়ে আছেন। তার জন্য আসন ছেড়ে দিতে দাড়িয়ে গেলেন। এর মধ্যে অন্য কেউ আসন ছেড়ে দিল তাদের জন্য। নেকী কিন্তু পেয়ে গেলেন।  - কেউ ধার চাইল। বিপদে পাশে দাড়াতে তাকে ধার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। কিন্তু এর মধ্যে সে অন্যত্র থেকে ম্যানেজ করে নিল টাকা। নেকী কিন্তু পেয়ে গেলেন।  - মন মানতে চাইছে না, তবুও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাউকে ক্ষমা করে দিলেন, নেকী কিন্তু পেয়ে গেলেন। - আপনি জানেন, আপনার কোন দোষ নেই। তবু ঝগড়া-বিবাদ তর্ক বিতর্কে না জড়িয়ে আল্লাহর জন্য চু...

বাবার কথা মনে পড়ে

 ৩ মাসের বাচ্চা রাত ১ টার সময় জোড়ে জোড়ে কাঁন্না করতে লাগলো। বাচ্চার কান্না শুনে মা বাবা দুজনের ঘুম ভেঙ্গে গেল। বাবা বললো ও কে থামাও আর মা বাচ্চাটাকে বুকে জড়িয়ে এদিক ওদিক হাঠতে লাগলো । কিছুক্ষণ পর বাচ্চাটির বাবা বিছানে থেকে ঘর থেকে বের হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর বাচ্চাটির বাবা ঘরে ফিরে এলো। আর বউ জিঙ্গাস করলো কোথায় গেছো ? সে বলল মায়ের কবর দেখতে। বউ জিঙ্গেস করলো এত রাতে কেন? সে উত্তর দিল আমাদের বাচ্চটি যখন কাঁদতেছে তখন আমার খুব বিরক্ত লাগছিল কিন্তু তুমি ওকে কাঁদে নিয়ে আদর করতে করতে হাঠতেছো। কারণ তুমি তার মা। তখনি আমার মনে পড়ে গেলো হয়তো আমি যখন ছোট ছিলাম তখনি আমার মাও আমাকে এভাবেই যত্ন করেছেন। তাই মাকে দেখতে গেছি।

আল্লাহর ৯৯ টি নাম (বাংলা অর্থ ও আরবি উচ্চারণ সহ) ক্রমিক নং নাম বাংলা অর্থ

 আল্লাহর ৯৯ টি নাম (বাংলা অর্থ ও আরবি উচ্চারণ সহ) ক্রমিক নং নাম বাংলা অর্থ ১. الرَّحْمَنُ আর-রহ়মান সবচাইতে দয়ালু, কল্যাণময়, করুণাময় ২. الرَّحِيمُ আর-রহ়ীম সবচাইতে ক্ষমাশীল ৩. الْمَلِكُ আল-মালিক অধিপতি ৪. الْقُدُّوسُ আল-ক্বুদ্দূস পূতঃপবিত্র, নিখুঁত ৫. السَّلَامُ আস-সালাম শান্তি এবং নিরাপত্তার উৎস, ত্রাণকর্তা ৬. الْمُؤْمِنُ আল-মু’মিন জামিনদার, সত্য ঘোষণাকারী ৭. الْمُهَيْمِنُ আল-মুহাইমিন অভিভাবক, প্রতিপালক ৮. الْعَزِيزُ আল-’আযীয সর্বশক্তিমান, সবচেয়ে সম্মানিত ৯. الْجَبَّارُ আল-জাব্বার দুর্নিবার, সমুচ্চ, মহিমান্বিত ১০. الْمُتَكَبِّرُ আল-মুতাকাব্বির সর্বশ্রেষ্ঠ, গৌরবান্বিত ১১. الْخَالِقُ আল-খলিক্ব সৃষ্টিকর্তা, (শূন্য থেকে) ১২ الْبَارِئُ আল-বারি’ বিবর্ধনকারী, নির্মাণকর্তা, পরিকল্পনাকারী ১৩. الْمُصَوِّرُ আল-মুসউয়ির আকৃতিদানকারী ১৪. الْغَفَّارُ আল-গফ্‌ফার পুনঃপুনঃ মার্জনাকারী ১৫. الْقَهَّارُ আল-ক্বহ্‌হার দমনকারী ১৬. الْوَهَّابُ আল-ওয়াহ্‌হাব স্থাপনকারী ১৭. الرَّزَّاقُ আর-রযযাক্ব প্রদানকারী ১৮. الْفَتَّاحُ আল-ফাত্তাহ় প্রারম্ভকারী, বিজয়দানকারী ১৯. الْعَلِيمُ আল-’আলীম সর্বজ্ঞানী, সর্বদ...

#শিক্ষনীয়_গল্প

Image
 #শিক্ষনীয়_গল্প স্বামী-স্ত্রী আর তাদের তিন মাস বয়সের একটি বাচ্চা রাতে বিছানায় ঘুমাচ্ছে। :হটাৎ :তিন মাসের বাচ্চা রাত তিনটার সময় জোরে জোরে কান্না করতে লাগলো। :বাচ্চার কান্না শুনে মা বাবা দুজনেরই ঘুম ভেঙ্গে গেলো। ,, স্বামী বললেন, ওকে একটু থামাও.....! আর মা বাচ্চাটিকে বুকে জরিয়ে নিয়ে এদিক-ওদিক হাঁটতে লাগলেন। : কিছুক্ষন পর , বাচ্চাটির বাবা বিছানা থেকে উঠে ঘর থেকে বের হয়ে গেলেন। : কিছুক্ষন পর বাচ্চাটির বাবা ঘরে ফিরে এলেন আর বাচ্চাটির মা তাকে জিজ্ঞাস করলেন, কোথায় গেছিলে ? : তিনি বললেন , : মায়ের কবরটা দেখতে গিয়েছিলাম। : বাচ্চাটির মা জিজ্ঞেস করলেন, : এত রাতে কেন ? : সে উত্তর দিল , আমাদের বাচ্চাটি যখন কাঁদতেছিলো তখন আমার খুব বিরক্ত লাগছিল। : কিন্তূ : তুমি ওকে কাঁধে নিয়ে আদর করতে করতে হাটতেছ। কারন, তুমি তার মা। : তখনি মনে পরে গেলো। : হয়তো , আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমার মা ও আমাকে এভাবেই যত্ন করেছিলেন। : তাই মাকে দেখতে গেছিলাম। : আজ আমি মায়ের যত্নে এত বড় হয়েছি। কিন্তু জানি না মা আমার সেখানে কতটুকু যত্নে আছেন। : পৃথিবীতে মা একমাত্র আপন। : হে আল্লাহ্ আপনি আমাদের মা বাবার সেবা করার তৌফি...

গ্রাম বা পাড়া মহল্লার ক্রিকেটের কিছু নিয়ম!😎

 গ্রাম বা পাড়া মহল্লার ক্রিকেটের কিছু নিয়ম!😎 ১- টসে জিতলেই ব্যাটিং  ২- জীবনের প্রথম মাঠে গেলে থাড় ম্যানে ফিল্ডিং  ৩- পিচ সোজা দাঁড়ালে নো বল  ৪- ব্যাটিংরা আম্পায়ার দাঁড়াবে  ৫- সিনিয়রা আগে ব্যাটিং করবে  ৬- যার ব্যাট সে আগে ব্যাট করবে ৭- আশেপাশে পুকুর থাকলে সেখানে উড়ে গেলে আউট  ৮- যারা জিতবে তারা পরের ম্যাচে আগে ব্যাটিং ৯- ১ম বলটা হবে টেস্ট বল  ১০- ঝোপ ঝাড়ে বল হারায় গেলে যে মারবে সে খুজে আনবে ১১- মাঠে কোনো স্থানে ছায়া থাকলে সেটা শীর্ষ নেতার স্থান ১২- যার ব্যাট তার কথা কেউ না শুনলে ব্যাট নিয়ে সোজা বাড়ির দিকে হাঁটা শুরু।  ১৩- জুনিয়ার প্লেয়াররা শুধু ফিল্ডিং করবে ব্যাট করবে সিনিয়ররা  ১৪- সন্ধ্যার ম্যাচে ব্যাটিং দলে ৭ জন থাকলে ফিল্ডিংয়ের দলে ৪ জন থাকে  ১৫- যে বল ফাটাবে সে নতুন বল কিনে আনবে  ১৬- মাগরিবের আজান দিলেই খেলা শেষ  ‌‌‌‌কে কে এইসব নিয়মে খেলেছেন?? খুব মিস করেন নিশ্চয়ই শৈশবের সেই নিয়মের খেলা আর বন্ধুদের, আমি খুব বেশী মিস করছি তাই পোস্ট করলাম।

বাবা তোমায় মনে পড়ে খুব

 বাবা, তুমি কেমন আছো? বলতে যদি একটি বার, আমিও নাহয় দিতাম পাড়ি, দেখতে তোমায় পরপার। না হয় তুমি ভুলেই গ্যাছো- কেমন আছি, খাচ্ছি কী? যখন তুমি ছিলে কাছে- বুঝিনি ঘরে অভাব কি? মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে যেদিন- একলা রেখে গেলে চলে, দিনের আলো নিভলো সেদিন- সূর্য হঠাৎ পড়লো ঢলে। মায়ের মুখের কাড়লে হাসি- ঘরটা জুড়ে কালো ছায়া, বুঝিয়ে দিলে এই জগতে- লুকিয়ে থাকে গভীর মায়া। পাড়ার মানুষ বলতো মুখে- ভাগ্য তোদের ভাল বটে, নইলে কী আর এমন যুগে- অমন কারো বাবা জোটে! গর্ব করি তোমায় নিয়ে- হতে যে চাই তোমার মতো, আমার ছেলেও বলে যেন, হয়না মানুষ বাবার মতো ।

পরামর্শাবলী

 পরামর্শাবলী *** সঞ্চয় করুন আপনার ভবিষ্যত তহবিল গড়ুন, *** আপনার সন্তান যেমন ভবিষ্যতের সম্পদ, তেমনি একটি বৃক্ষ আপনার ভবিষ্যতের সম্পদ, তাই বৃক্ষ রোপন করুন ভবিষ্যত গড়ে তুলুন , *** রান্না ও খাবার ক্ষেত্রে আর্সেনিক মুক্ত পানি ব্যবহার করুন, *** বাড়ীর প্রতিত/খালি জায়গায় বেশি করে শাকসব্জির আবাদ করুন, *** আপনার শিশুকে স্কুলে পাঠান , *** সকল নারী কাজ করুন নিজের ভাগ্য নিজে গড়ুন,

ভয়ংকর নসিহা....

 ভয়ংকর নসিহা.... একজন বিজ্ঞ আলেম ছিলেন। যার অনেক ছাত্র ছিল। যখনই তার কাছে নতুন কোন শিষ্য আসতো তিনি তখন তার পরীক্ষা নিতেন। তিনি কিছু তোতা পাখি পালতেন। আর পাখিগুলোকে তিনি একটি কথা শিক্ষা দিয়েছিলেন, কথাটি হলো; "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"। অর্থাৎ "শিকারি আসবে, খাবার দিবে, জাল পাতবে, ফেঁসে যেও না।" যখনই নতুন কোন ছাত্র আসতো তখনই তিনি তাকে কিছু দানা আর একটি জাল দিয়ে বলতেন, "যাও ঐ গাছের নিচ থেকে কিছু তোতা পাখি ধরে নিয়ে আসো।" পাখিগুলো মানুষ দেখা মাত্রই এই বলে গান গাইতে শুরু করতো যে, "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"। তখন বেশিরভাগ ছাত্রই ফিরে আসতো এই ভেবে যে, এত চালাক পাখি ধরা যাবে না! কিন্ত যদি কোন ছাত্র জাল পাততো আর দানা দিতো তবে দেখতো যে, পাখিগুলো মুখে ঐ কথা বলছে ঠিকই কিন্ত দানা খেতে আসছে আর জালে ফেঁসে যাচ্ছে। অর্থাৎ তাদের মুখের কথা তাদের কোন কাজেই আসছে না। এই পাখিগুলো আসলে কি বলছে তারা সেটা নিজেরাই জানে না। পাখিগুলো জানে না- 'শিকারি' কি জিনিস! 'জাল' কি জিনিস! 'ফাসনা' কি জিনিস! তাই ত...

কিছু গুরুত্ব পূর্ণ টিপস্

 ১. একটি জায়নামাজ কিনে মসজিদে রেখে দিন, যে ব্যক্তি তাতে নামাজ আদায় করবে, ইনশাআল্লাহ আপনি সেই আমলের জন্য পুরস্কৃত হবেন। ২. একটি বাটি বা গ্লাসে কিছু পানি আপনার জানালায় রেখে দিন পাখিদের জন্য; এটাও এক ধরনের সদকা। এটিকে অভ্যাসে পরিণত করুন। আপনি পুরস্কৃত হবেন ইনশাআল্লাহ।  ৩. আপনার পুরাতন অথবা ব্যবহার হচ্ছে না এমন পোশাক গরিবকে দান করুন। সুযোগ থাকলে নতুন জামা যেদিন কিনবেন, সেদিনই এক সেট পুরাতন জামা দান করুন।  ৪. আপনার রুমে একটি বক্স রাখুন এবং যখনই আপনি মনে করবেন যে আপনি কোনো অন্যায় করেছেন, তখনই তাতে সাধ্যমতো টাকা-পয়সা রাখুন। মাস শেষে তা খুলে দেখুন এবং তা দান করে দিন। এতে নিজের ভুলগুলোর পরিমাণ বুঝতে পারবেন এবং অনুতপ্ত হয়ে নিজেকে সংশোধনের জন্য এটা সুন্দর একটি পন্থা।  ৫. বাড়িতে ঢুকার ও বের হবার পথে দুআ লিখে রাখুন একটি কাগজে। যে এই দোয়াগুলো দেখতে পেয়ে পাঠ করবে, ইনশাআল্লাহ আপনি সেজন্য পুরস্কৃত হবেন৷ একইভাবে ঘরের এমন কোনো স্থানে দুআ লিখে রাখতে পারেন, যেটা সবার নজরে আসে। ৬. আপনার হাত খরচের টাকা দিয়ে একজন এতিমকে সহায়তা করুন আপনার সাধ্যমতো। মাসের কোনো একদিন নাস্তা না করে এতিম কোনো শি...

বাস্তব গল্প!

 বাস্তব গল্প! একবার হিটলার একজোড়া মুরগি নিয়ে সংসদকক্ষে ঢুকলেন। ঢুকে সবার সামনে একটা একটা করে পালক উপড়াতে লাগলেন। মুরগি দুটো তীব্র যন্ত্রণায় কোঁকাতে লাগলো। তবুও হিটলারের ভ্রুক্ষেপ নেই।  মোরগ আর মুরগিকে পালকশুন্য করে হিটলার অবজ্ঞাভরে সংসদকক্ষের চকচকে  মেঝেতে ছুঁড়ে ফেললেন। তারপর হিটলার পকেটে হাত দিলেন। মুঠো মুঠো গমের দানা বের করে মুরগি দুটোর সামনে ছড়াতে লাগলেন। মুরগি দুটো সব যন্ত্রণা ভুলে একটার পর একটা গমের দানা খুঁটে খুঁটে খেতে লাগলো। হিটলার হাঁটতে হাঁটতে সমানে গমের দানা ছড়িয়ে দিচ্ছেন আর মুরগি দুটো তার পেছনে পেছনে গমের দানা খুঁটে খুঁটে খেতে খেতে হেঁটে চলেছে। হিটলার দম্ভের সঙ্গে গর্বভরে বলতে লাগলো, মাননীয় স্পিকার, এই মোরগ আর মুরগিটা হলো গণতান্ত্রিক দেশের জনগণের মতো। তাদের শাসক আর সরকার প্রথমে একটা একটা করে পালক উপড়ে নেয়, সব লুটে নিয়ে জনগণকে প্রতিবন্ধী বানিয়ে দেয়। তারপর দু'এক মুঠো গমের দানা ছড়িয়ে ছিটিয়ে জনগণের 'মাসিহা' সেজে মাথার উপর ক্ষমতার ছড়ি ঘোরায়।

শিক্ষানীয় সুন্দর গল্প

Image
 ছেলেটি জানে না যে নীচে একটি সাপ রয়েছে। মেয়েটিও জানে না যে ছেলেটির পিঠের ওপর একটি পাথর চাপ দিয়ে আছে। মেয়েটি ভাবছে, আমি নীচে পড়ে যাচ্ছি এবং আমি বেয়ে উপরে উঠতে পারব না কারণ সাপটা আমাকে কামড়ে দেবে। কেন সে আরেকটু শক্তি দিয়ে আমাকে টেনে তুলছে না? ছেলেটি ভাবছে, আমি খুবই ব্যথা অনুভব করছি। তথাপি আমি তাকে আমার সাধ্য মতো টেনে তুলছি। কেন সে নিজে চেষ্টা করে আরেকটু উঠছে না? শিক্ষাঃ অপরপক্ষ কতোটা চাপে আছে তা আপনি কখনো জানবেন না, এবং আপনি কতোটা চাপে আছেন তা অপরপক্ষও কখনো জানবে না। এটাই জীবন, আপনার কাজ, পরিবার, অনুভূতি, বন্ধু যাই হোক না কেন একে অন্যকে বোঝার চেষ্টা করা উচিত। তাই ভিন্ন ভাবে ভাবতে শিখুন। একে অপরকে বুঝতে চেষ্টা করুন এবং সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন। সকল ভুল বোঝাবুঝির অবসান হোক, সুন্দর হোক সবার জীবন।

অসাধারন শিক্ষনীয় গল্প

একজন ভদ্রলোক NJP ষ্টেশনে নেমে, ষ্টেশনের বাইরে এসে ট্যাক্সির খোঁজ করতে লাগলেন। একজন ব্যক্তি ট্যাক্সি নিয়ে এগিয়ে এলেন। লোকটি- “আমি শিলিগুড়ি যাব। কত ভাড়া লাগবে?” ট্যাক্সি ড্রাইভার- “অনেকটা পথ যেতে হবে দাদা, ৫০০ টাকা ভাড়া লাগবে। লোকটি- “তোমরা এরকমই, এই টুকু রাস্তা ৫০০ টাকা ভাড়া চাইছ। ভাবছ আমি কিছুই জানি না! যাও যাও তোমার মত ট্যাক্সির দরকার নেই। আমি আমার রাস্তায় একাই হেঁটে চলে যাব।“ এরপর লোকটি নিজের ব্যাগ হাতে ঝুলিয়ে নিয়ে যাত্ৰা শুরু করলেন। সেই ব্যক্তিটি ব্যাগ নিয়ে কিছুদূর পর্যন্ত এগোলেন। মাথার উপড়ে গ্রীষ্মের গনগনে রোদে তিনি শীঘ্রই নাজেহাল হয়ে পড়লেন। মনে মনে আবার তিনি ট্যাক্সির খোঁজ করতে লাগলেন। কিছু দূর যাওয়ার পর আবার পুনরায় সেই ট্যাক্সিটিকেই দেখলেন। এরপর সেই ব্যক্তিটি আর কোনো উপায় না পেয়ে ট্যাক্সিটিকে দাড় করালেন। লোকটি- “আরে ভাই, আমি তো এবার প্রায় অর্ধেকটা রাস্তা চলেই এসেছি, তাহলে এবার কত টাকা লাগবে?" ড্রাইভার- “এবার ৭৫০ টাকা লাগবে।“ লোকটি- “তোমরা তাজ্জব লোক। দেখছ যে, আমি আর পাড়ছি না, তাই দাম বাড়িয়ে দিলে। আমি তো অর্ধেকটা রাস্তা চলেই এসেছি! হিসেব মত ২৫০ টাকা হওয়...

শিক্ষণীয় গল্প

 শিক্ষণীয় গল্প একবার একটা ইঁদুর ভুল করে হীরের টুকরো গিলে ফেলে। হীরের যে মালিক তার রাতের ঘুম উড়ে যায়। ইঁদুর বধের জন্যে সে এক ইঁদুর শিকারীর খোঁজ করে তাকে সেই ইঁদুর মেরে হীরে উদ্ধার করার ঠিকে দেয়। শিকারি যখন ইঁদুর মারতে ইঁদুরদের বাসস্থানে পৌঁছোয় সে দেখে হাজারের ওপর ইঁদুর একে অন্যের সংগে গুঁতোগুঁতি করে বসে শুয়ে আছে আর একটা ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় চিৎপটাং হয়ে শুয়ে।শিকারি তাক করে ওই ইঁদুরটাকেই ধরে আর তার পেট চিরে হীরে বার করে মালিকের হাতে সেটা তুলে, নিজের হিসেব বুঝে যখন সেখান থেকে যেতে উদ্যত হয়, মালিক যিনি যারপরনাই আশ্চর্য হয়েছিলেন শিকারির কেরামতি দেখে, তাকে জিজ্ঞেস করেন,-হাজারো ইঁদুরের মধ্যে কি ভাবে তুমি বুঝলে ভাই যে ওই ইঁদুরটাই হীরে গিলেছে..?? শিকারি জবাবে বলে,-খুব সহজ স্যার। মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায়, সে নিজের লোকেদের সংসর্গ ও তাদের সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করে দেয়। 'শিক্ষাঃ মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায়, সে নিজের লোকেদের সংসর্গ ও তাদের সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করে দেয়।

---একটি শিক্ষনীয় গল্প---

---একটি শিক্ষনীয় গল্প--- ছেলে মাকে বলছে, মা আমার জন্য জীবনে অনেক কষ্ট করেছো। বলো তোমার কী খেতে মনে চায়?? আমি আজ তোমার ঋণ শোধ করবো। মা বলছে বাবা তাহলে বাজার থেকে ১টি কলা নিয়ে আসো। তার পর ছেলে রাতে কলা নিয়ে এলো। মা বলছে বাবা কলাটি তোমার বুকে উপরে রাখ যখন আমি চাবো তখনি দিও। ছেলে ঘুমিয়ে গেলে পিঠের নিচে পরে কলাটি চ্যাপটা হয়ে যায়। সকাল বেলা মা এসে কলা চাচ্ছে। ছেলে বলছে মা রাতে পিঠের নিচে পরে চ্যাপটা হয়ে গেছে । মা প্রয়োজনে আমি ১ ফানা এনে দিবো। মা বলছে বাবারে তোমাকে আমি পৌষ মাসের শীতে ডান কাদে শুয়ায়ছি প্রসাব করে দিয়েছিস। বাম কাদে শুয়ায়ছি প্রসাব করে দিয়েছিস। তার পর বুকে শুয়ায়ছি, প্রসাব করে বুক বিঝায়ে দিয়েছিলি। কই ১দিনের জন্য তো পিঠের নিচে তুরে ফালাইনি। তুই কী করে বলিস মায়ের ঋণ শোধ করে দিবি????? পৃথিবীতে কেবল মাত্র বাবা মা তার সন্তানকে স্বার্থহীন ভাবে ভালবাসে।  I Love you Maaa হে আল্লাহ আমাদের মা বাবাকে ক্ষমা করে দাও # আমীন

গল্প

রাগ করেই ঘর থেকে বেড়িয়ে পড়লাম। এতটাই রেগে ছিলাম যে বাবার জুতোটা পড়েই বেরিয়ে এসেছি। বাইক ই যদি কিনে দিতে পারবেনা, তাহলে ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ার বানাবার সখ কেন.? হঠাৎ মনে হল পায়ে খুব লাগছে। জুতোটা খুলে দেখি একটা পিন উঠে আছে। পা দিয়ে একটু রক্তও বেরিয়েছে। তাও চলতে থাকলাম। এবার পাটা ভিজে ভিজে লাগল। দেখি পুরো রাস্তাটায় জল। পা তুলে দেখি জুতোর নিচটা পুরো নষ্ট হয়ে গেছে। বাসস্ট্যান্ডে এসে শুনলাম একঘন্টা পর বাস। অগত্যা বসে রইলাম। হঠাৎ বাবার মানি ব্যাগটার কথা মনে পড়ল, যেটা বেরোবার সময় সঙ্গে নিয়ে এসেছিলাম। বাবা এটায় কাউকে হাত দিতে দেয় না। মাকেও না। এখন দেখি কত সাইড করেছে। খুলতেই তিনটে কাগজের টুকরো বেরল। প্রথমটায় লেখা "ল্যাপটপের জন্য চল্লিশ হাজার লোন"। কিন্তু আমার তো ল্যাপটপ আছে, পুরনো বটে। দ্বিতীয়টা একটা ডা: প্রেসক্রিপশন। লেখা "নতুন জুতো ব্যাবহার করবেন"। নতুন জুতো। মা যখনই বাবাকে জুতো কেনার কথা বলত বাবার উত্তর ছিল "আরে এটা এখনও ছ'মাস চলবে"। তাড়াতাড়ি শেষ কাগজটা খুললাম। "পুরানো স্কুটার বদলে নতুন বাইক নিন" লেখা শোরুমের কাগজ। বাবার স্কুটার!! বুঝতে পেরেই বাড়ির দিকে ...

গল্প

 রাগ করেই ঘর থেকে বেড়িয়ে পড়লাম। এতটাই রেগে ছিলাম যে বাবার জুতোটা পড়েই বেরিয়ে এসেছি। বাইক ই যদি কিনে দিতে পারবেনা, তাহলে ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ার বানাবার সখ কেন.? হঠাৎ মনে হল পায়ে খুব লাগছে। জুতোটা খুলে দেখি একটা পিন উঠে আছে। পা দিয়ে একটু রক্তও বেরিয়েছে। তাও চলতে থাকলাম। এবার পাটা ভিজে ভিজে লাগল। দেখি পুরো রাস্তাটায় জল। পা তুলে দেখি জুতোর নিচটা পুরো নষ্ট হয়ে গেছে। বাসস্ট্যান্ডে এসে শুনলাম একঘন্টা পর বাস। অগত্যা বসে রইলাম। হঠাৎ বাবার মানি ব্যাগটার কথা মনে পড়ল, যেটা বেরোবার সময় সঙ্গে নিয়ে এসেছিলাম। বাবা এটায় কাউকে হাত দিতে দেয় না। মাকেও না। এখন দেখি কত সাইড করেছে। খুলতেই তিনটে কাগজের টুকরো বেরল। প্রথমটায় লেখা "ল্যাপটপের জন্য চল্লিশ হাজার লোন"। কিন্তু আমার তো ল্যাপটপ আছে, পুরনো বটে। দ্বিতীয়টা একটা ডা: প্রেসক্রিপশন। লেখা "নতুন জুতো ব্যাবহার করবেন"। নতুন জুতো। মা যখনই বাবাকে জুতো কেনার কথা বলত বাবার উত্তর ছিল "আরে এটা এখনও ছ'মাস চলবে"। তাড়াতাড়ি শেষ কাগজটা খুললাম। "পুরানো স্কুটার বদলে নতুন বাইক নিন" লেখা শোরুমের কাগজ। বাবার স্কুটার!! বুঝতে পেরেই বাড়ির দিকে...

ছোট একটি বাস্তব গল্প

 ৩ মাসের বাচ্চা রাত ১ টার সময় জোড়ে জোড়ে কাঁন্না করতে লাগলো। বাচ্চার কান্না শুনে মা বাবা দুজনের ঘুম ভেঙ্গে গেল। বাবা বললো ও কে থামাও আর মা বাচ্চাটাকে বুকে জড়িয়ে এদিক ওদিক হাঠতে লাগলো । কিছুক্ষণ পর বাচ্চাটির বাবা বিছানে থেকে ঘর থেকে বের হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর বাচ্চাটির বাবা ঘরে ফিরে এলো। আর বউ জিঙ্গাস করলো কোথায় গেছো ? সে বলল মায়ের কবর দেখতে। বউ জিঙ্গেস করলো এত রাতে কেন? সে উত্তর দিল আমাদের বাচ্চটি যখন কাঁদতেছে তখন আমার খুব বিরক্ত লাগছিল কিন্তু তুমি ওকে কাঁদে নিয়ে আদর করতে করতে হাঠতেছো। কারণ তুমি তার মা। তখনি আমার মনে পড়ে গেলো হয়তো আমি যখন ছোট ছিলাম তখনি আমার মাও আমাকে এভাবেই যত্ন করেছেন। তাই মাকে দেখতে গেছি।

꧁෴WELL COME TO MY FACEBOOK PROPILE෴꧂

Image